চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় একটি মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারের মালিক মো. আবুল খায়ের।
এ ঘটনায় আর্থিকভাবে বিপাকে পড়েছেন তিনি। ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত এই মাছচাষি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে কচুয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাটিকরপাড়া-সংলগ্ন দক্ষিণ বিলে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারের মালিক আবুল খায়ের ওই গ্রামের হাজী দুলাল মিয়ার ছেলে।
খামারের মালিক আবুল খায়ের জানান, জমি ও পুকুর লিজ নিয়ে ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ করে প্রায় ১ হাজার ২০০ শতাংশ জায়গায় গত ছয় বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে খামারের পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি জানান, বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে খামারের পাড়ে গিয়ে দেখতে পান, পুকুরের পানিতে রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়া, সরপুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কিছু মাছ পানির নিচেও তলিয়ে যাচ্ছিল। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে পানি থেকে মাছ তুলতে সহযোগিতা করেন। পুকুরে মরা মাছের আধিক্যের কারণে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিকেও মাছ শিকার করতে দেখা যায়।
খামারের পাহারাদার ইব্রাহিম জানান, তিনি রাত একটা পর্যন্ত খামার পাহারা দিয়েছেন। এরপর ঘুমিয়ে পড়েন। তার ধারণা, এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে।
দীর্ঘ ছয় বছরের পরিশ্রম ও বিনিয়োগে গড়ে তোলা খামারে এমন ঘটনায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারি আবুল খায়ের। এখন ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটছে তার। পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
এদিকে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনায় আর্থিকভাবে বিপাকে পড়েছেন তিনি। ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত এই মাছচাষি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে কচুয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাটিকরপাড়া-সংলগ্ন দক্ষিণ বিলে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারের মালিক আবুল খায়ের ওই গ্রামের হাজী দুলাল মিয়ার ছেলে।
খামারের মালিক আবুল খায়ের জানান, জমি ও পুকুর লিজ নিয়ে ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ করে প্রায় ১ হাজার ২০০ শতাংশ জায়গায় গত ছয় বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে খামারের পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি জানান, বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে খামারের পাড়ে গিয়ে দেখতে পান, পুকুরের পানিতে রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়া, সরপুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কিছু মাছ পানির নিচেও তলিয়ে যাচ্ছিল। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে পানি থেকে মাছ তুলতে সহযোগিতা করেন। পুকুরে মরা মাছের আধিক্যের কারণে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিকেও মাছ শিকার করতে দেখা যায়।
খামারের পাহারাদার ইব্রাহিম জানান, তিনি রাত একটা পর্যন্ত খামার পাহারা দিয়েছেন। এরপর ঘুমিয়ে পড়েন। তার ধারণা, এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে।
দীর্ঘ ছয় বছরের পরিশ্রম ও বিনিয়োগে গড়ে তোলা খামারে এমন ঘটনায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারি আবুল খায়ের। এখন ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটছে তার। পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
এদিকে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
অনলাইন ডেস্ক